Home  /  Articles posted by Zahin Jaimah Kabir

সদ্য বিবাহিত দম্পতি শাকিল ও তামান্না নিজেদের নতুন সংসার গোছাতে ব্যস্ত। প্রতিদিনই অফিসের পর দুজন মিলে বিভিন্ন দোকানে ঘুরে বেড়ান। এভাবেই একে একে ছোটখাটো ফার্নিচারসহ বাকি সব প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে নিজেদের ছোট্ট নীড়কে সাজিয়ে তুলছেন তারা। তবে অন্য সব দিক

ইকরি ও মিকরি দুই বোন। দুজনের মাঝে বয়সের তফাত খুব বেশি না। তাই বলেই হয়তো তাদের মধ্যে মিলের চেয়ে অমিলই বেশি। ইকরির পাহাড় পছন্দ, তো আরেক দিকে মিকরির প্রিয় সমুদ্র। আবার শান্ত স্বভাবের ইকরির ভালো লাগে বই পড়তে আর চঞ্চল

মিজান সাহেব ছবি তুলতে ভালোবাসেন। সময় পেলেই দেশের এখানে-সেখানে ছুটে যান ছবি তোলার জন্য। সেসব ছবি সাজিয়ে রাখতে তিনি নিজের একটি দেয়ালও বানিয়েছেন। যেখানে তার একের পর এক সারি সারি অসাধারণ সব ফ্রেমবন্দী মুহূর্তের দেখা মেলে। নিজেই নিজের মনমতো সাজিয়ে

সদ্য পনেরোতে পা দিল মীরা। ইদানীং তার নিজেকে সাজাতে বেশ ভালো লাগে। তাই একটু পরপরই সে মায়ের ড্রেসিং টেবিলের সামনে গিয়ে হাজির হয়। কখনো চুলে বেণি বাঁধে, আবার কখনো মায়ের লিপস্টিক, চুড়ি দিয়ে নিজেকে সাজিয়ে হারিয়ে যায় নিজের জগতে। এ

ঠাসবুনটের এই শহরে ‘ছোট বাসা’, ‘জায়গা কম’ এমন কথাগুলো বেশ পরিচিত। এখনকার শহুরে বাসাগুলোয় জায়গা ভীষণ কম। ফলে মনমতো ঘর সাজানোর সুযোগ তো দূরে থাক, বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবের জায়গা করা নিয়েই মুশকিলে পড়তে হয়। কিন্তু ঘর মানেই তো আপন

শিশুদের কাছে নিজেদের ঘর মানে যেন একটি ভিন্ন জগৎ। এখান থেকেই শুরু হয় জীবনের রঙিন সব স্বপ্নের যাত্রা। তাই এই ঘরটি সবার কাছেই খানিকটা বিশেষ। আপনার বাসার ছোট্ট সোনামণির কথাই ভাবুন। ঘরের একটা কোণে কী যত্ন করে পুতুল আর রংপেন্সিল

আজ আমার বেশ মন খারাপ। কালকের চেয়েও বেশি। ইদানীং কেন যেন হুটহাট এমন হয়। কেন হয় আমি জানি না। আম্মুকেও বলেছি এই মন খারাপের কথা। আম্মু বলেছে দূরে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাবে, কিন্তু কিছুদিন পরে। ঘরে থাকার এই কঠিন দিনগুলো

মহামারির কঠিন সময়গুলোতে দিনের অধিকাংশ সময়ই কেটেছিল আমাদের ঘরে বসে। কাজ, পড়াশোনা এমনকি চিকিৎসাও যখন চলছিল ঘরে থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে, তখন অবসরের সবটুকু সময় কেটেছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে। করোনা মহামারির সেই সময়ে বেড়ে যায় অনলাইন শপিংয়ের জনপ্রিয়তা। তাই

বাড়ির পুরোটা যতই সাজানো-গোছানো থাকুক না কেন, একটি ঘর গুছিয়ে রাখতে আমাদের বিপাকে পড়তে হয় সব সময়। বিশেষ করে বাবা-মায়েদের। কোনোভাবেই যেন গুছিয়ে রাখা যায় না এই ঘরকে। খেলনা, রংপেন্সিল কিংবা বইখাতা এমন সব জিনিসে এলোমেলো থাকে যে ঘর, তা

‘কমই শ্রেয়’ কথাটির সাথে কমবেশি আমরা সবাই পরিচিত। মিনিমালিস্ট জীবনযাপন করেন যাঁরা তাঁরা মূলত এই নীতিবাক্যে বিশ্বাসী। কিন্তু এই মিনিমালিজম আসলে কী? মিনিমালিজম হলো স্বল্প দখলদারিত্ব। সহজ অর্থে এর মানে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত সবকিছু দূর করে বসবাসে শুধু যতটুকু প্রয়োজন,