Home  /  স্মার্টফিট

ঠাসবুনটের এই শহরে ‘ছোট বাসা’, ‘জায়গা কম’ এমন কথাগুলো বেশ পরিচিত। এখনকার শহুরে বাসাগুলোয় জায়গা ভীষণ কম। ফলে মনমতো ঘর সাজানোর সুযোগ তো দূরে থাক, বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবের জায়গা করা নিয়েই মুশকিলে পড়তে হয়। কিন্তু ঘর মানেই তো আপন

‘মাল্টিপারপাস’ ইদানিং ভীষণ ট্রেন্ডি শব্দ হয়ে উঠেছে। আমরা একের ভেতর অনেক খুঁজছি, চাইছি এমন কোনো সমাধান যা অনেকগুলো সমস্যাকে একসাথে দূর করে দিবে। আসবাবের ক্ষেত্রেও এখন আর শুধু কার্যকারিতার কথা ভাবলে চলছে না। আসবাবটি ঘরের নান্দনিকতার সাথে মানানসই হবে কিনা,

বাড়ির পুরোটা যতই সাজানো-গোছানো থাকুক না কেন, একটি ঘর গুছিয়ে রাখতে আমাদের বিপাকে পড়তে হয় সব সময়। বিশেষ করে বাবা-মায়েদের। কোনোভাবেই যেন গুছিয়ে রাখা যায় না এই ঘরকে। খেলনা, রংপেন্সিল কিংবা বইখাতা এমন সব জিনিসে এলোমেলো থাকে যে ঘর, তা

‘কমই শ্রেয়’ কথাটির সাথে কমবেশি আমরা সবাই পরিচিত। মিনিমালিস্ট জীবনযাপন করেন যাঁরা তাঁরা মূলত এই নীতিবাক্যে বিশ্বাসী। কিন্তু এই মিনিমালিজম আসলে কী? মিনিমালিজম হলো স্বল্প দখলদারিত্ব। সহজ অর্থে এর মানে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত সবকিছু দূর করে বসবাসে শুধু যতটুকু প্রয়োজন,

‘বসার ঘর’ আমাদের বাঙালি গৃহসজ্জায় এক অপরিহার্য বিষয়। বসার ঘরে পরিবারের সবাই মিলে টিভি দেখা যেমন হয়, তেমনি হয় ভাইবোনের আড্ডাও। আর অতিথি আপ্যায়নেও এ ঘরটি বেশ জরুরি। শহুরে জীবনে বসার ঘর সাজাতে গিয়ে আমাদের প্রায়ই হিমশিম খেতে হয়। কেননা

স্মার্ট ফার্নিচার হতে পারে আপনার আধুনিক জীবনের সঙ্গী অর্ণা ও সামিন দুই ভাই-বোন। সব ভাই-বোনের মতো তাদেরও ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকে। বেশির ভাগ সময়ই তাদের মতের মিল হয় না। তবে তাদের মা-বাবা শফিক ও রুমা হঠাৎ টের পেল দুই ভাই-বোন এক সপ্তাহ

বারো মাসে তেরো পার্বণের আমাদের এই দেশে আনন্দ উৎসব যেন লেগেই থাকে। এত সব আনন্দ আয়োজনে ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবার সর্বজনীন অংশগ্রহণ উৎসবে আনন্দের মাত্রা অনেক গুণে বাড়িয়ে তোলে। তবে আরও একটি কারণে বাঙালির এই আনন্দের পরিমাণ আরও কিছুটা হলেও বেড়ে যায়। জাতি

বাড়ির ছোট্ট সোনামণিদের মিষ্টি শৈশব যেন কেটে যায় চোখের পলকে। একটু সময় যেতে না যেতেই শুরু হয় কাগজে কিংবা দেয়ালে কলম আর রং-পেনসিলের রঙিন দাগাদাগি। তারপর হাতেখড়ি। মায়ের কাছে অক্ষর আর সংখ্যা চিনতে না চিনতেই ঘনিয়ে আসে স্কুলজীবনে পা রাখার

আপনি কি এমন একটি চেয়ার খুঁজছেন, যেটি একের ভেতর দুই কাজ সারবে?কেমন হয়, যদি সুন্দর একটি চেয়ারকে মুহুর্তই একটি উপযোগী মইতে রুপান্তরিত করা যায়?সিঁড়ির মত ব্যবহার করা যায়? বাজারে এসেছে আপনার মনের মতই সেই চেয়ার কাম ল্যাডার, Dunham-107। যেটি আপনাকে দেবে

কর্মব্যস্ত দিনের শেষে নিজের সাজানো-গুছানো পরিপাটি শান্তির নীড়ে ফিরে প্রশান্তির ছোঁয়া খুঁজতে কার না ভালো লাগে? তাই সবাই চান একান্তই নিজের রুচি আর পছন্দের সাথে তাল মিলিয়ে আপনালয়টিকে সাজিয়ে নিতে। একটা সময় এমন ছিল,ঘর সাজানোতে ব্যবহার হতো ভারি ডিজাইন কিংবা কাঠের