কর্মস্পৃহা বাড়াতে অফিস পরিবেশ সুন্দর রাখার সেরা ৫ টি উপায় জেনে নিন

অফিসের পরিবেশ আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যে সরাসরি প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, ভালো অফিস স্পেস মোটিভেশন ধরে রেখে কাজের স্কিল ও বাড়ায়। সঠিক ডিজাইনের ফার্নিচার দিয়ে অফিস পরিবেশ সুন্দর রাখার উপায় জানা থাকলে  দ্রুত কাজ করে লক্ষ্য অর্জন করতে পারবেন আরো সহজে। কিন্তু কি সেই উপায় সমূহ অনেকেই জানেন না। আজকের পোস্টে আমরা সেগুলো নিয়েই কথা বলবো।

well-decorated meeting room

অফিসের সাজসজ্জায় ছোট ছোট কিছু পরিবর্তন এনে কর্মস্পৃহা বাড়ানো যেতে পারে

কিভাবে অফিসের পরিবেশ সুন্দর রাখতে হয়?

অফিস সুন্দর করা এক হিসেবে কোনো কঠিন কাজ না। যথাযথ আলোর ব্যবস্থা করলে বা মিনিমালিস্ট ভাবে ইন্টেরিয়র ডিজাইন করলে সাধারণ অফিসরুমকেও অসাধারণ করে তুলতে পারবেন। আর অল্প খরচে নান্দনিকভাবে অফিস সাজাতে হাতিল-এর বিভিন্ন এক্সেন্ট চেয়ার আর শেলফ তো আছেই! চলুন দেখে নিই কোন কোন ধাপে কি কি করবেনঃ

১ম ধাপঃ যথাযথ আলোর সু-ব্যবস্থা

অফিসের জায়গাটা হওয়া উচিত খোলামেলা। শহরের অফিসগুলোতে প্রায়ই বেশি বড় জায়গা পাওয়া সম্ভব হয় না, সেই ক্ষেত্রে বড় জানালা বা বারান্দা, যাতে কর্মচারীদের হাতের নাগালে থাকে এটা নিশ্চিত করলে ভালো হয়। 

অধিক ক্ষেত্রেই দেখা যায় অফিসের জায়গাটায় সারাদিন এসি চলে, যার ফলে বাইরের বাতাস আসা-যাওয়া সম্ভব হয় না। এর কারণে বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যা হওয়ার পাশাপাশি, দিনটা অনেকটা মলিন হয়ে যায়। তাই খোলামেলা, আলো-বাতাসে ভরপুর অফিস সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। এটা সম্ভব না হলেও, অফিসের ভেতরেই যাতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকে, সেটা নিশ্চিত করা দরকার। প্রাকৃতিক সূর্যের আলো না পাওয়া গেলেও শক্তিশালী বাল্বের উজ্জ্বল সাদা আলো একটি ভালো বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে।  

আবার অল্প আলোতে কম্পিউটার স্ক্রিন দেখা কিংবা ফাইলপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করা, কোনোটাই খুব একটা সুবিধাজনক নয়। অফিসঘরে জানালা থাকলে সেটা বন্ধ না রেখে মাঝে মাঝে খোলা রাখা উচিত, এবং আলো যাতে ঠিকমতো ঘরের ভেতরে পর্যন্ত আসতে পারে সেটা খেয়াল রাখা উচিত। অফিসের সবার কর্মশক্তি বাড়ানোর জন্য ঠিকঠাক আলোর ব্যবস্থাটা একেবারেই অপরিহার্য। 

২য় ধাপঃ মিনিমালিজমের আওতায় আসুন

বর্তমানে ঘর সাজানোর নতুন ট্রেন্ড মিনিমালিজম। মিনিমালিজম ঘর সাজানোর  এমন একটা পদ্ধতিকে বোঝায়, যেখানে সর্বনিম্ন পরিমাণের আসবাব ব্যবহার করে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলার চেষ্টা করা হয়। এই পদ্ধতির মতে, সরলতাই সৌন্দর্য। অফিসের সাজের জন্য মিনিমালিজম একদম  উপযুক্ত স্টাইল। 

কাজের জায়গায় বিশৃঙ্খলা এবং বাড়তি আসবাব যত কম থাকে, তত ভালো। ছিমছাম সুন্দর অফিসে কাজ করাও বেশ সহজ হয়ে ওঠে। অফিসের চাপ এমনিতেই সামলানো কঠিন, তার ওপরে যদি ডেস্ক এবং অফিস স্পেসের গোলমাল যোগ হয়, তাহলে অভিভূত অনুভব করাটাই স্বাভাবিক। তাই মিনিমালিজমের মূলনীতি অনুসরণ করে অফিসের জায়গাটা করে নেওয়া দরকার বিশৃঙ্খলামুক্ত। 

একটু খেয়াল করে দেখলেই পাওয়া যায় অসংখ্য প্রয়োজনীয় জিনিস, যা মাসের পর মাস অব্যবহৃত পড়ে আছে। এই সমস্যার সমাধান মিনিমালিজম। এই কাজটি শুরু করতে হবে সবকিছু সহজ-সরল করার মাধ্যমে। অতিরিক্ত আসবাব অনেক সময়ই অন্যমনস্কতার কারণ হয়ে ওঠে, তাই অতিরিক্ত জিনিসগুলো প্রথমেই বাতিলের খাতায় ফেলতে হবে। 

বহুমুখী ব্যবহারের উপযোগী ফার্নিচার ব্যবহার করা মিনিমালিজমের মধ্যেই পড়ে। কারণ, এর মাধ্যমে আসবাবের সংখ্যা কমে এবং কার্যকারিতা বাড়ে। 

৩য় ধাপঃ অফিস স্পেসে রঙের ছোঁয়া

অফিস মানেই একঘেয়ে, বিরক্তিকর এবং ধূসর౼এই চিন্তাধারা থেকে বের হয়ে আসা সময়ের প্রয়োজন। সামান্য রঙের ছোঁয়াই গোটা অফিসের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট। তাই রঙের ব্যবহার করা উচিত বাধাবন্ধহীন উচ্ছ্বাসে। বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা থেকেই পাওয়া যায়, উজ্জ্বল রং মানুষের মেজাজ এবং ব্যবহারের ওপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। 

এ ক্ষেত্রে নীলাভ রং মস্তিষ্ককে উদ্দীপনা জোগায়, হলুদ বাড়ায় কল্পনাশক্তি এবং সবুজের কল্যাণে মনের ভার হালকা হয়। তবে অবশ্যই মানুষে মানুষে এই অনুভূতির পরিবর্তন হতে পারে। তাই ব্যক্তিগতভাবে যেসব রং পছন্দ সেগুলো দিয়েও রাঙিয়ে তোলা যায় অফিসের জায়গাটি। 

শুধু ওয়ালের ক্ষেত্রেই রং প্রযোজ্য নয়, রঙিন ক্যানভাস, পোস্টের, শখের ছবি, আসবাবপত্র ইত্যাদি দিয়ে অফিস সাজানো উচিত। ফার্নিচারের ক্ষেত্রে হাতিলের  accent চেয়ার লোপেজ -১১৯ কিংবা ফিক্সড চেয়ার সোপ্রানো-১৫০ রঙিন হলেও, যেকোনো অফিসের মাঝে খাপ খেয়ে যাবে অনায়াসে। তাই গতানুগতিক অফিসের ফার্নিচারের থেকে কিছুটা ব্যতিক্রমী ডিজাইনে বিনিয়োগ করলে তা অফিসের মনোবল বাড়াতে সহযোগী হবে বলেই মেনে নেওয়া যায়। 

 

লোপেজ -১১৯       

সোপ্রানো-১৫০

  • ৪র্থ ধাপঃ সবুজে সবুজে প্রাণবন্ত

মানুষ প্রাকৃতিক জীব, তাই প্রকৃতি থেকে বেশিক্ষণ বিচ্ছিন্ন থাকলে জীবনে বিভিন্ন ভোগান্তির সূত্রপাত দেখা দেয়। অফিস স্পেসে এই সমস্যার সমাধান করা অবশ্য বেশ সহজ। অফিস রুমের কোনায় কোনায়, ডেস্কে বা টেবিলে, ছোট ওয়াল শেলফের ওপর যেকোনো জায়গায়ই যোগ করে দেওয়া যায় ছোট-বড়-মাঝারি আকারের গাছ। 

অফিস রুমের ভেতরে গাছের ব্যবহার শুধু সৌন্দর্যবর্ধনের ক্ষেত্রেই উপযোগী না। বদ্ধ পরিসরের মাঝে গাছপালা থাকলে তা আশপাশের বাতাসকে শুদ্ধ করার কাজটাও করে। তাছাড়া অফিস ডেকর নিজের মতো করে ওলট-পালট করার বেশ কিছু অপশন পাওয়া যায় গাছের টব যোগ করে। 

আগেই বলা হয়েছে, গবেষণা থেকে জানা যায় সবুজ রং মনে প্রশান্তির উদ্রেক ঘটায়। সেই হিসাবে কয়েকটা সুন্দর সবুজে ভরা গাছ যদি পাওয়া যায় অফিসের ভেতরেই, তবে মন ভালো না থেকে উপায় নেই। শুধু গাছই নয়, গাছের টব এবং ভেস বিভিন্ন সুন্দর ও অভিজাত ডিজাইনে পাওয়া যায় আজকাল। এগুলো অফিসের একরকমের অলংকার হিসেবে কাজ করতে পারে। 

  • ৫ম ধাপঃ কার্যকর ও নান্দনিক স্টোরেজ ব্যবস্থা

কাজ করার সবচেয়ে বড় শত্রু সম্ভবত বিশৃঙ্খলাপূর্ণ কাজের জায়গা। অগোছালো ডেস্ক, ছড়ানো-ছিটানো ফাইলপত্র এগুলো দেখলেই কাজ করার ইচ্ছেটা মাঠে মরে যায়। কিন্তু চিন্তা করে দেখুন, ছিমছাম একটা ডেস্ক, ফাইলগুলো ফাইলের জায়গায়, রং-বেরঙের কলমগুলো কলমদানিতে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দাগহীন একটা ঘর, চিন্তা করলেই মনটা শান্ত হয়ে যায়। 

অফিসের সাজসজ্জার মাঝে ছোট ছোট ফ্যাশনেবল স্টোরেজ বাক্সগুলো কাজ করতে পারে একরকমের আসবাবপত্র হিসেবে। লেখালেখির জিনিস, প্রসেসিংয়ের আগের এবং পরের দাপ্তরিক কাগজপত্র, প্রয়োজনীয় অফিস স্টেশনারি ইত্যাদি সব আলাদা বাক্সে থাকলে খুঁজে বের করাটা হয়ে যায় একেবারেই সহজ। আলাদা আলাদা স্টোরেজ বক্স ব্যবহারের থেকে, যদি এমন ফার্নিচারই পাওয়া যায় যেটায় পর্যাপ্ত স্টোরেজ ব্যবস্থা আছে, তাহলে তো আর কথাই নেই। 

এ ক্ষেত্রে হাতিলের মাল্টিপারপাস শেলফ সুজান-১১৩ একটি চমৎকার আসবাব। অফিসের সমন্বিত ফার্নিচারগুলোর মধ্যে এমন একটি আসবাব আসলেই দরকার, যাতে সব রকমের ফাইল, কাগজপত্র ও যাবতীয় স্টেশনারি রেখে দেওয়া যায়। অফিসের সামগ্রিক চেহারা বদলানোর পাশাপাশি সুজান-১১৩-এর ব্যবহার বহুমুখী। এটি পুরো অফিসকেই আরও পূর্ণাঙ্গ একটা ভাব দেবে, যা আগে সম্ভব হতো না। 

সুজান-১১৩

এই সহজ কৌশলগুলোর বৈশিষ্ট্য এখানেই যে, ছোট হোক বা বড়যেকোনো অফিসেকেই এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে পুনরায় সাজানো সম্ভব। দেরি না করে নিজের অফিস স্পেসটিকে প্রাণবন্ত ও কর্মশক্তিতে উজ্জীবিত করে ফেলুন আজই। 

অফিস সুন্দর না হলে কি কি অসুবিধা হতে পারে?

অফিসের পরিবেশ সুন্দর ও স্বস্তিদায়ক না হলে কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কারণ অগোছালো ও অস্বাস্থ্যকর অফিস কর্মীদের উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দেয় এবং তাদের মধ্যে বিরক্তি, ক্লান্তি ও হতাশা সৃষ্টি করে। এমনকি পর্যাপ্ত আলো ও বাতাসের অভাব, অস্বাস্থ্যকর আসবাব ও অস্বচ্ছন্দ বসার ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদে দেহে ব্যথা ও ক্লান্তির কারণ হতে পারে। 

এরপর আসে অপরিচ্ছন্ন ও বিশৃঙ্খল কর্মপরিবেশ যা মনোযোগ কমায়, ভুলের পরিমাণ বাড়ায় এবং কাজের প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ থাকলে প্রতিষ্ঠানের কর্মদক্ষতা ও সাফল্যও ব্যাহত হয়। এছাড়া, অফিসের শৌচাগার ও বিশ্রামের জায়গা অস্বাস্থ্যকর হলে কর্মীরা সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন, ফলে অনুপস্থিতির হার বেড়ে যায়। 

মোট কথা, একটি অনুপ্রেরণাহীন ও নেতিবাচক অফিস সংস্কৃতি কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব বাড়িয়ে দিতে পারে, যা দলগত কাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই, সুন্দর ও সুস্থ অফিস পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পরিশেষঃ হাতিল-এর ফার্নিচার দিয়ে অফিস পরিবেশ সুন্দর রাখার উপায়

  • এরগোনোমিক অফিস চেয়ার ও ডেস্কঃ হাতিল-এর আধুনিক ডিজাইনের এরগোনোমিক চেয়ার ও উচ্চতা অনুযায়ী সমন্বিত ডেস্ক ব্যবহার করে কর্মীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করুন। এটি কর্মক্ষমতা বাড়াবে এবং দীর্ঘসময় কাজ করলেও ক্লান্তি কমাবে।
  • স্পেস সাশ্রয়ী ও মাল্টিফাংশনাল আসবাবঃ অফিসের জায়গা বাঁচাতে হাতিল-এর স্মার্ট ও মাল্টিফাংশনাল ফার্নিচার ব্যবহার করুন। যেমন—ভাঁজযোগ্য টেবিল, বিল্ট-ইন স্টোরেজসহ ওয়ার্কস্টেশন ইত্যাদি, যা ছোট অফিসেও কার্যকর সমাধান দেবে।
  • আধুনিক কনফারেন্স ও মিটিং টেবিলঃ প্রফেশনাল ও মার্জিত লুক পেতে হাতিল-এর স্টাইলিশ কনফারেন্স টেবিল ও মিটিং চেয়ার ব্যবহার করুন। এতে অফিসের অভ্যন্তরীণ মিটিং বা ক্লায়েন্ট মিটিং আরও কার্যকর হবে।
  • স্টোরেজ ও অর্গানাইজেশনঃ অফিসকে গুছিয়ে রাখতে হাতিল-এর বুকশেলফ, ফাইল ক্যাবিনেট ও ওয়ার্কস্টেশন স্টোরেজ ইউনিট ব্যবহার করুন। এতে দরকারি ফাইল ও কাগজপত্র সহজেই সংরক্ষণ করা যাবে।
  • রিসেপশন ও ওয়েটিং এরিয়া সাজানোঃ প্রথম ইমপ্রেশন গুরুত্বপূর্ণ! হাতিল-এর মার্জিত সোফা সেটরিসেপশন ডেস্ক ব্যবহার করে অফিসের প্রবেশপথকে আকর্ষণীয় করে তুলুন।
  • ব্রেক ও রিফ্রেশমেন্ট এরিয়াঃ কর্মীদের বিশ্রামের জন্য হাতিল-এর কমফোর্টেবল চেয়ার, টেবিল ও ক্যাফে সেটআপ ব্যবহার করুন। এটি অফিসে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তুলবে।

হাতিল-এর ফার্নিচার ব্যবহার করে আপনার অফিসকে শুধু সুন্দরই নয়, বরং ফাংশনাল, আরামদায়ক ও পেশাদারভাবে উপস্থাপনযোগ্য করে তুলতে পারেন। তাই এখনই ভিজিট করুন ওয়েবসাইট আর দেখে নিন অফিসের সকল ফার্নিচার।

অফিস পরিবেশ সুন্দর রাখার উপায় নিয়ে কিছু বহুল আলোচিত প্রশ্নোত্তরঃ

কোন ধরনের আসবাব অফিসের জন্য সবচেয়ে উপযোগী?

হালকা ও সহজে স্থানান্তরযোগ্য আসবাব, যেমন—এরগোনোমিক চেয়ার, যথাযথ উচ্চতার ডেস্ক, স্টোরেজ ক্যাবিনেট ইত্যাদি অফিসে আরামদায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক। এছাড়া অনেকে বিনব্যাগ বা ডিভানের মত একটা আরাম করার জায়গাও রাখে।

কর্মীদের মনোবল বাড়াতে অফিসে কী ধরনের পরিবর্তন আনা যেতে পারে?

কর্মীদের মাঝে পজিটিভ থিংকিং আনার জন্য সবুজ গাছপালা রাখা যায়। এছাড়া ব্রেক নেওয়ার জন্য আরামদায়ক জায়গা রাখতে পারেন। সর্বোপরি খোলামেলা ও শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করলে কর্মীরা কাজের মনোবল ধরে রাখতে পারবে। আর অবশ্যই সেট আপ সবকিছু না, আপনাকে কর্মীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া জানতে হবে।

অফিসে সবুজায়ন কীভাবে উপকারে আসে?

অফিসে গাছ রাখা বায়ুর মান উন্নত করে, স্ট্রেস কমায় এবং সৃজনশীলতা ও মনোযোগ বাড়ায়। ছোট গাছ বা ইনডোর প্ল্যান্ট ব্যবহার করলেই অফিসের পরিবেশ প্রাণবন্ত হয়। এভাবে কিছু সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করলেই অফিসের পরিবেশ হতে পারে সুন্দর, কর্মবান্ধব ও উৎপাদনশীলতার সহায়ক।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।